পঙ্গপালের হুমকি নিয়ে বিপাকে ইসরাইল 2

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু

 

 

গত চার মার্চ থেকে এক অবিশ্বাস্য ও বিরল আক্রমণের শিকার মধ্যপ্রাচের দেশ ইসরাইল। আর এই আক্রমণ করছে ঝাঁকে ঝাঁকে পঙ্গপাল। সোমবার মিসর থেকে ইসরাইলি ভূখণ্ডে আক্রমণ চালিয়েছে এরা। মিশর বলছে এই সংখ্যা প্রায় তিন কোটি। খবর রয়টার্স

পঙ্গপালের আক্রমণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ইসরাইলিদের জীবন। পঙ্গপালের কারণে বাড়ির বাহিরে বের হতে পারছে মানুষ। আক্রমণের কারণে ফসলের বিপুল ক্ষয়-ক্ষতির আশংকা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যে স্থল ও বিমান থেকে কীটনাশক প্রয়োগ করতে হচ্ছে।

এই ঘটনা ঘটল যখন কিনা ইহুদিদের অন্যতম বড় উৎসব ‘পেসাহ’ এর আর মাত্র তিন সপ্তাহ বাকি। হজরত মুসার (আ.) আমলেও পঙ্গপালের আক্রমণ হয়েছিল। ইহুদিদের অবকাশ দিবসে মিসরের দাসত্ব থেকে ইসরাইলের মুক্তির কাহিনী প্রচার করা হচ্ছে। হজরত মুসার বাণী মানতে অস্বীকার করলে ফেরাউনের ওপর ১০টি মহামারী নাজিল হয়েছিল। পঙ্গপালের আক্রমণ সেই ১০ টির মধ্যে অষ্টম নাম্বার। তারা মিসরের শস্যক্ষেত্রে আক্রমণ করেছিল।কোরআনেও পঙ্গপালের বর্ণনা রয়েছে।

রয়টার্স জানায়, তিন সপ্তাহ ধরে মিসর সীমান্ত থেকে ইসরাইলি ভূখণ্ডে ঝাঁকে ঝাঁকে পঙ্গপাল অনুপ্রবেশ করছে। এগুলোকে বাইবেলে বর্ণিত আল্লাহ্‌র গজব হিসেবে দেখছেন ইসরাইলিরা। ফেরাউনের ওপর গজব হিসেবে পঙ্গপালের আক্রমণ হয়েছিল।

প্রথমবারের মতো সোমবার ইসরাইল পঙ্গপালের আক্রমণ সতর্কতা জারি করে। এ সময় কায়রো থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে পঙ্গপাল ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলীয় নেগেভ মরুভূমিতে অনুপ্রবেশ শুরু করে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি বিষয়ক সংস্থা সতর্ক করে বলেছে, বাতাস ও জলবায়ুর পরিবর্তিত অবস্থার কারণে পঙ্গপালের আন্তঃসীমান্ত অনুপ্রবেশ বেড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দেয়ার জন্য ইসরাইল পঙ্গপালের বিরুদ্ধে রণপ্রস্তুতি নিয়েছে। শরু হয়েছে স্থল ও বিমান হামলা। পঙ্গপালের গতিবিধি সম্পর্কে জানানোর জন্য খোলা হয়েছে হটলাইন।

ইসরাইলের কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০০৫ সালের পর এই প্রথম ইসরাইলে পঙ্গপালের আক্রমণ হলো। তবে এবার যেভাবে হামলা হয়েছে ১৯৫০ এর দশকের পর এরকম হামলা আর হয়নি।

কুরআনে পঙ্গপাল সম্পর্কে যা বলা হয়েছে:

Locusts moving in Swarms (পঙ্গপাল) 

“They will emerge from their graves with downcast eyes, like swarming locusts.” (Qur’an, 54:7)

(সেদিন) তারা অবনত দৃষ্টি নিয়ে (একে একে) কবর থেকে এমনভাবে বেরিয়ে আসবে, যেন ইতস্তত বিক্ষিপ্ত পঙ্গপালের দল” (৫৪:৭)

This verse describes all people’s situation in the Hereafter as one resembling swarming locusts. There is great wisdom in this simile.

A great deal of information was obtained about locusts in the twentieth century by conducting wide-ranging studies using micro-cameras. Locust swarms contain huge numbers of individual locusts that behave as a single body. Coming together in swarms that are kilometres long and wide, they look just like a dark cloud. It has been established, for instance, that a single swarm of desert locusts can cover 1,200 square kilometres (460 square miles) and contain between 40 and 80 million locusts per square kilometre. (157)

In addition, they deposit their eggs in sandy soils like seeds and, after the larvae have remained underground for a long period of time, they all emerge together. After digging a 10-15 cm-long tunnel in the ground, a female locust lays 95-158 eggs at once. Females can lay eggs at least three times in their lifetime. When the larvae have matured after 10-65 days, depending on the air temperature, they emerge in a large group. Up to 1,000 egg pods have been found in one square metre. Locust swarms are large enough to cover several hundred square kilometres, with the number of adult locusts per square kilometre varying from between 40 to 80 million. (158) Their long underground existence and sudden emergence in vast numbers all at the same time may resemble the resurrection of human beings on the Day of Judgement. (Allah knows best.)

Today, locusts are being studied by special units, which employ remote control imaging systems. Even NASA satellite data are used to identify areas in Africa where desert locust colonies have developed. Thanks to satellite data, it is possible to carry out wide-ranging research on land and in space over an 18 million square kilometre area.

As we have seen, the fact that the Qur’an made such a comparison at a time when these technologies did not exist is one of the proofs that it is the revelation of the Omniscient Allah.

 

ALLAHHU AKBAR

 

Image

Advertisements

এই সাইডটি ভিজিট করার সময় আপনি যাদি কোন অশ্লীল এডভাটাইজমেন্ট দেখেন তাহলে একটু হোমপেজের পাশে “এডভাটাইজমেন্ট মুক্ত ব্রাউজিং করুন” পাতাটি দেখুন।

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s